থিয়েমেকার্সের
নাটক ভীম বধ । পরবর্তী অভিনয় ১লা জুন ২০২৫, দমদম সবুজ
প্র্যাকটিস স্টুডিওতে 'থিয়েটার স্কোপ ভলিউম ৩' নাট্যোৎসবের দ্বিতীয় দিন।
নাটক
শুরু হয় নাট্য প্রস্তুতির
এক বিশৃঙ্খল পরিবেশে।
পরিচালক ‘কালুদা’ এবং তার নাট্যদলের
ছেলেরা কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ নিয়ে একটি নাটক
মঞ্চস্থ করতে চাইছে। কিন্তু
এই মহড়ার মঞ্চে প্রবেশ করেই শুরু হয়
এক অদ্ভুত বিশৃঙ্খলা ও যুক্তিবিদ্যার ধাঁধা।
‘হারাধন’
অ্যাবস্ট্রাক্ট জঙ্গল তৈরি করেছে, ‘নিমাই’
ভীম হয়ে দাড়ি নিয়ে
হাজির হয়েছে, ‘নিখিল’ শ্রীকৃষ্ণের হাতে শঙ্খ চক্রর
বদলে বাঁশি ও সাইকেলের চাকা
নিয়ে এসেছে, আর দুর্যোধনের চরিত্রে
থাকা ‘পান্নালাল’ নিজেকে ভীমের হাতে পরাজিত হতে
দিতে নারাজ। তারা সকলেই বাস্তবতা,
কল্পনা, দর্শন, থিয়েটার ও যুক্তি নিয়ে
নিজেদের মতো মত প্রকাশ
করে, এবং পুরো নাটকজুড়ে
থিয়েটারের ভিতরের দ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তির রূপক
ছড়িয়ে পড়ে।
অবস্থা
এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ভীম আর
দুর্যোধন চরিত্রধারীরা সত্যি সত্যিই মারামারি জড়িয়ে পড়ে। দুর্যোধন চরিত্রে পান্নালাল সত্যিকারের গদা নিয়ে ভীম
(নিমাই)-কে আঘাত করে,
কৃষ্ণ চরিত্রধারীকেও আক্রমণ করে। পরিস্থিতি এমন
পর্যায়ে পৌঁছায় যে নাটকের ভেতরের
নাটকই যেন মঞ্চে বাস্তব
হয়ে ওঠে।
শেষ
দৃশ্যে, কালুদা ও বাকিরা পান্নালালকে
(দুর্যোধন) ধরে ফেলে, এবং
নাটকের বাইরে এসে শিল্পের ভণ্ডামি
নিয়ে মুখোমুখি প্রশ্ন তোলে পান্নালাল, চিৎকার
করে বলে—" থিয়েটারের নামে যে জালিয়াতি
করছো, পারবে সেটা বলতে?
নাটক:
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
নির্দেশনা, আলো, আবহ, মঞ্চ ও সম্পাদনা : সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়
অভিনয় - অনিরুদ্ধ বিশ্বাস, মুশফিক আকন্দ, দেবদাস চক্রবর্তী , সৌম্য কর্মকার, আশীষ ঢোলাকিয়া
আবহ প্রক্ষেপন: সৌমিক নন্দী , আলোক প্রক্ষেপন: সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রযোজনা নিয়ন্ত্রণ : অপূর্ব







